অনুমোদনহীন ঝুঁকিপূর্ণ করাতকলের দায় কার?

কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম জুয়েল: করাতকল মানুষের জীবনযাত্রায় অতি প্রয়োজনীয় একটি অনুসঙ্গ। যার মাধ্যমে ফার্নিচার জগতের নিয়ন্ত্রণ করা হয়। নিজেদের চাহিদা মতো কাঠ তৈরীতে করাতকলের কোন বিকল্প নেই। তবে এই করাতকল যেমন প্রয়োজন তেমনি একটি অতি রিক্সের একটি মেশিন। একটু অসবধান হলেই মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হতে হয় সংশ্লিষ্টদের। এর জন্য বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করাই বাঞ্চনীয়। তাছাড়া বিদ্যুতের একটা বিরাট ব্যাবহার হয় এই করাত কলে।

সম্প্রতি দৈনিক চাঁদপুর সময় পত্রিকায় প্রকাশিত মতলব উত্তরের একটি সংবাদে দেখা যায়, সেখানে প্রায় অর্ধ্বশত করাত কলের কোন অনুমোদন নেই। অনুমোদন ছাড়াই চলছে এতো অধিক সংখ্যক করাতকল। অনুমোদন ছাড়া করাতকল চালাতে পারে তা আমাদের বোধগম্য নয়। তবে এর জন্য যে, সরকারের কয়েকটি দপ্তর থেকে অনুমোতি নিতে হয় তা বলাই বাহুল্য। এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তর কি বলে তা জানার চেষ্টা করেছি।

যদি অনুমোদন ছাড়া কোন করাতকলই চলতে না পারে তবে কিভাবে এসব করাত কল চলছে তা খতিয়ে দেখা দরকার। আমরা এ ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে উদ্যোগ গ্রহণের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। যেহেতু অতিঝুঁকির অতিপ্রয়োজনীয় একটি মেশিন সেহেতু এটিকে আরো নিরাপদ ও জবাবদিহির আওতায় আনা অপরিহার্য বৈকি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.