অভিভাবকদের ভোগান্তি লাগবে উদ্যোগ নিন

কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম জুয়েল
অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সরকারি সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে সরকারি-বেসরকারি অফিস সময় সমন্বয় করা হয়নি। আসলে বিষয়টি আমলেই নেয়া হয়নি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি অফিস এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সময় ব্যবস্থাপনা না করেই রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর করায় জনদুর্ভোগ বেড়েছে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে। আর গ্রামাঞ্চলের বেশির ভাগ শিক্ষার্থী দূর-দূরান্ত থেকে বিদ্যালয়ে ক্লাস করতে যায়। তারাও প্রচণ্ড রোদে বিদ্যালয়ে ক্লাস করতে গিয়ে দুর্ভোগে পড়ছে। আমরা মনে করি, শিক্ষার্থী-অভিভাবক এবং শিক্ষকদের কষ্ট ও অসুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো উচিত। এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া দরকার বলে আমরা মনে করি।
এই রমজানে যানজট সহনীয় করতে হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুরুর কমপক্ষে তিন ঘণ্টা পর অফিস-আদালত শুরু করা যেতে পারে। এতে ঢাকাসহ বিভাগীয় শহরের যানজট অনেকটাই সহনীয় হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটির সাথে অফিস ছুটির সময়ের মধ্যেও একই ধরনের পার্থক্য থাকতে হবে। এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সপ্তাহে পাঁচ দিন খোলা না রেখে সপ্তাহে চার দিনে নিয়ে এলেও যানজটের লাগাম টেনে ধরা যাবে। অন্য দিকে সরকারি-বেসরকারি ছুটির দিনগুলোতে অর্থাৎ শুক্র ও শনিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যেতে পারে।
সরকারি এমন সিদ্ধান্তে ইতোমধ্যে দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা। রোজা রেখে প্রখর রোদে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে গিয়ে শহরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের সাথে তাদের অভিভাবকরাও যানজটে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। সরকারি ও বেসরকরি অফিস সময়ের সাথে সমন্বয় না করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখায় শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ চরমে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.