অভিভাবকদের মধ্যে প্রতিযোগীতার মনোভাব পরিহার করতে হবে

কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম জুয়েল
মাধ্যমিকের সিঁড়িতে উঠতে ভাগ্য যাচাই এর শিকার শিক্ষার্থীরা। মেধার যাচাই নয় সম অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য এই পদ্ধতির আবশ্যকতা রয়েছে। শিশুদের মেধা যাচাই এর প্রতিযোগীতা বন্ধ করা দরকার ছিলো। শিশুদের মেধার বিকাশ প্রতিযোগীতায় নয় পরিবেশই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সম্প্রতি সারাদেশে ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য একাধিক আবেন করে বিভিন্ন অভিযোগে তাদের আবেদন বাতিল করা হয়েছে।

সেসব শিক্ষার্থী বিভিন্ন স্কুলে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে তাদের আবেদন বাতিল করা হচ্ছে। যাত ঐসব অভিভাবকদের জন্য অত্যন্ত কষ্টের হলেও তা যথার্থই বলতে হবে। তবে ঐসব অভিভাবকদের সরকারি স্কুলে ভর্তির জন্য মাত্রাতিরিক্ত আগ্রহ এবং আবেগই এর জন্য দায়ী। সন্তানকে সরকারি স্কুলে টেকানোর জন্য অসদোপায় অবলম্বন করা কিছুতেই সমিচিন নয়। এসব অভিভাবকদের কাছ থেকে ঐসব শিক্ষার্থীরা কি শিখছে তাও ভেবে দেখা দরকার। একাধিক আবেদনের আশ্রয় নেওয়া যেমনি সঠিক নয় তেমনি লটারির সফটয়্যারে একাধিক আবেদনের সুযোগ রাখাটাও উচিৎ হয়নি। একটি জন্ম নিবন্ধন দিয়ে একাধিক আবেদনের সুযোগ যেন না থাকে সেদিকেও খেয়াল রাখা অপরিহার্য। লটারির সফটয়ারে কোন ত্রুটি আছে কিনা তাও ক্ষতিয়ে দেখা দরকার রয়েছে।

জানা যায় অনেকে আবেদন করার সময় তথ্যগত ভুল হওয়ায় তারা একাধিক আবেদন করেছেন। কেউ কেউ আবার লটারিতে নির্বাচিত হতে ইচ্ছা করেই একাধিক আবেদন করেছেন। এই সব ফাঁকফোঁকর বন্ধ করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *