আওয়ামী লীগ কখনও ইতিহাস বিকৃতি করে না: মায়া চৌধুরী

মতলব উত্তর প্রতিনিধি : আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম বলেছেন, জামায়াত ইসলাম’৭১ সালেও রাজাকার ছিল এখনো রাজাকার আছ। তাদের এ দেশে রাজনীতি করার কোন অধিকার নেই। বিএনপিও জামায়াতের দোসর। স্বাধীনতা বিরোধীদের রাজনীতিতে পুনর্বাসনের পাশাপাশি বিএনপি দেশকে দুর্নীতির আখড়া বানিয়েছিল।
সোমবার (২৮ মার্চ) দুপুরে চাঁদপুরের মতলব উত্তরে মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ কখনও ইতিহাস বিকৃতি করে না বরং প্রকৃত ইতিহাস জাতির সামনে তুলে ধরে বলেই বিএনপির গাত্রদাহের কারণ হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক মুক্তি এসেছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব। বাংলাদেশ উন্নয়নের সোপানে পৌঁছানোর নেপথ্যে শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে, মহাকাশ থেকে সমুদ্র্র্রসীমা জয় দেশের অর্থনৈতিক যাত্রা আরো এগিয়ে নিয়ে গেছে।
মায়া বলেন, বিএনপি নেতারা তাদের চেয়ারপারসন জিয়াকে দেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং দণ্ডিত পলাতক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা বানানোর মতো ঘৃণ্য অপপ্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। বিএনপির হাতে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব¡ ও ইতিহাস কিছুই নিরাপদ নয় বলেও দাবি করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য।
‘স্বাধীনতার ৫০ বছরে আমরা কী পেলাম? বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যে বিষয়ে মায়া চৌধুরী বলেন, পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙ্গে মুক্তির অর্ধশতক পর যারা বলেন স্বাধীনতার ৫০ বছরে কী পেলাম, প্রকৃতপক্ষে তারাই স্বাধীনতাকে হৃদয়ে ধারণ করে না, চেতনায় ধারণ করে না, সে প্রশ্নই এখন চলে আসে?
আরো বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আ’লীগের কার্যকারী কমিটির সদস্য সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু, ছেংগারচর পৌরসভার মেয়ার আলহাজ্ব রফিকুল আলম জর্জ, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগ সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মিয়া মো. জাহাঙ্গীর, মতলব দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল মোস্তফা তালুকদার, মোহনপুর ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সামসুল হক চৌধুরী বাবুল, ফতেপুর পূূর্ব ইউপি চেয়ারম্যান আজমল হোসেন চৌধুরী, কলাকান্দা ইউপি চেয়ারম্যান ছোবহান সরকার সুভা, জহিরাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান মো. সেলিম মিয়া।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান একেএম শরীফ উল্ল্যাহ সরকার, দেলোয়ার হোসেন দানেশ, বীর মুক্তিযোদ্ধা নান্নুু মিয়া, এখলাছপুর ইউপি চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম মুন্না ঢালী, আবুল খায়ের দেওয়ান, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. শরীফ, সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য আল মাহমুদ টিটুু মোল্লা, এ্যাড. সেলিম মিয়া, ছেংগারচর পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন খান, এখলাছপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রেহান উদ্দিন নেতা, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন বেপারী, কলাকান্দা ইউপি সভাপতি মুজিবুর রহমান, সাদুল্ল্যাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ, বাগানবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল মিয়া, ষাটনল ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক হানিফ মাহমুদ, উপজেলা শ্রমিকলীগ নেতা খোরশেদ চৌধুরী, উপজেলা যুবলীগ নেতা খোরশেদ আলম প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *