চাঁদপুরে ইমামের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

 

আশিক বিন রহিম/ মুহাম্মদ বাদশা ভূঁইয়া

মসজিদ কমিটিতে যুতসই পদ না পাওয়াকে কেন্দ্র করে বয়োজ্যেষ্ঠ ইমামকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার ঘটনায় ফুঁসে উঠছে চাঁদপুরের আলেম সমাজ। এই ঘটনার প্রতিবাদ এবং অভিযুক্ত পিতা-পুত্রের দৃষ্টাস্তমূলক শাস্তির দাবী উঠেছে সর্বমহল থেকে।

৩১ জুলাই রোববার সকালে প্রখ্যাত ইমাম ও আলেমেদ্বীন মাওলানা আবু ইউসুফের উপর বর্বরোচিত এ হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে

চাঁদপুর জেলা ইমাম-মুয়াজ্জিন ঐক্য পরিষদ। প্রায় ২ ঘন্টা ব্যাপী চলা এই মানববন্ধনে জেলার শত শতত ইমাম-মোয়াজ্জেম এবং আলেম সমাজ

অংশগ্রহণ করেন।

চাঁদপুর জেলা ইমাম-মুয়াজ্জিন ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মুফতী উবায়দুল্লাহ সিন্দীর সভাপতিত্বে ও সদস্য মুফতী নূরে আলম নূরীর পরিচালনায় বক্তব্য

 

রাখেন, ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুফতী তারেক হাসান, সদস্য সচিব মুফতী আশেক এলাহী, মুফতী শাহাদাত হোসেন কাশেমী, মাওলানা মাইনুল আবেদীন, আবুল হাসনাত, আঃ রশিদ, বিষ্ণুদী আরাবিয়া মসজিদের সহ-সাধারণ সম্পাদক মুহাঃ সাইফুল ইসলাম, উপদেষ্টা মুহাঃ আঃ খালেক।

দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাও. হাবিবুর রহমান।

বক্তারা বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকেকে কেন্দ্র করে পিতা-পুত্র মিলে একজন বয়োজ্যেষ্ঠ ইমামকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করছে। বেশ কয়েকদিন ধরে তিনি

হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছেন। অথচ আটকের একদিনের মধ্যেই তারা আদালত থেকে জামিন পেয়ে গেলো। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং

ধিক্কার জানাই।

বক্তারা বলেন, মসজিদের ইমামরা আজ পদে পদে নির্যাতিত হচ্ছে। রক্তাক্ত হচ্ছে। তারা ন্যায় বিচার পাচ্ছে না। মাও. আবু ইউসুফের আগে পবিত্র ঈদুল

আযহার দিন পুরাণবাজার বড় মসজিদের সাবেক ইমাম মুফতী শাহাদাত হোসেন কাশেমীকে চামড়ার ঘটনায় মাইক্রো স্ট্র্যান্ড সভাপতি ফারুক মারধর

করেছেন। সেই ঘটনারও কোন বিচার হয়নি।
আগামী ৭ দিনের মধ্যে মাওলানা আবু ইউসুফের উপর বর্বরোচিত হামলাকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তা না হলে ৭ দিন পর

লাগাতার কর্মসূচি দিতে আমরা বাধ্য হবো।
উল্লেখ : গত ২৫ জুলাই সোমবার দুপুরে চাঁদপুর শহরের বিষ্ণুদী ঈমানীয়া জামে মসজিদের সামনে এই নেক্কারজনক ঘটনা ঘটে। মজদিনের ইমাম ও

খতিব মাওলানা আবু ইউসুফকে মোটর সাইকেল সাইড না দেয়াকে কেন্দ্র করে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে স্থানীয় দুলাল মৃধা এবং ছেলে মেহেদী মৃধা। পরে

 

 

এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান। মাওলানা মো. ইউসুফ খান এর পূর্বে শহরের ঐতিহাসিক বাসস্ট্যান্ড গৌর-এ গরিবা জামে মসজিদে দীর্ঘ ১৭ বছর ইমামের দায়িত্ব পালন করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.