এই সরকারের অধীন নির্বাচন নয়

আশিক বিন রহিম বিএনপি’র চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা আবুল খায়ের ভূঁইয়া বলেছেন, এদেশের জনগণ ২০১৮সালে ২০১৪ সালে নির্বাচন দেখেছে। শেখ হাসিনা কোন নির্বাচন বিশ্বাস করে না। কোন মানুষের ভোটাধিকার বিশ্বাস করে না। যার কারণে এ সককারের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু আশা করা যায় না। আমরা হাসিনার অধীনে আর কোনো নির্বাচন করব না।
২ এপ্রিল শনিবার দুপুরে চাঁদপুর সদরের বাগাদী নানুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দীর্ঘ প্রায় এক যুগ পর অনুষ্ঠিতি জেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি আরো বলেন,
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং জুলমবাজ সরকারকে বিতাড়িত করতে হবে। তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সম্মেলনের মাধ্যমে যোগ্য নেতৃত্ব সৃষ্টি হয়। সেই নেতৃত্বই আগামি দিনের সকল আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রনী ভূমিকা রাখবে। যার কারণে আজকের সম্মেলনের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করে এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করতে হবে।
সম্মেলনে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা বিভাগীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা বিভাগীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল হক সাইদ। প্রয়াত নেতাদের উদ্দেশ্যে শোক বার্তা পাঠ করেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আনোয়ার বাবলু।
জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাড. সেলিম উল্ল্যাহ সেলিম ও মুনির চৌধুরী যৌথ সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন শাহরাস্তি পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি বেলায়েত হোসেন, মতলব উত্তর বিএনপি নেতা কবির হোসেন, চাঁদপুর পৌর বিএনপির সভাপতি আক্তার হোসেন মাঝি, চাঁদপুর সদর থানা বিএনপির সভাপতি শাহজালাল মিশন, কচুয়া উপজেলা বিএনপি নেতা শাহজালাল, হাজীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হোসেন মোল্লা, শাহরাস্তি উপজেলার সাবেক পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, চাঁদপুর সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জাহাঙ্গীর খান প্রমুখ। এর আগে সকাল ১০ টায় প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং শান্তির প্রতিক পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনে শুভ শূচনা হয়।
এরপর দুপুর আড়াইটা থেকে শুরু হয় দ্বিতীয় অধিবেশন। এসময় ভোটারদের দীর্ঘ লাইনে ৫টি বুথে একযোগে শুরু হয় ভোটগ্রহণ। কাউন্সিলরের মতামতের ভিত্তিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১৫১৫ জন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *