জ্বালানির মূল্যে বৃদ্ধির প্রভাব চাঁদপুরের কাঁচাবাজারে

ডিজেলে মূল্য বৃদ্ধিতে নিত্যপণ্যসহ চাঁদপুরের কাঁচাবাজারে যেনো আগুনে ঘি ঢেলেছে। ডিজেলের মূল্য এক লাফে ১৫ টাকা বৃদ্ধি অযৌক্তিক। বাড়তি মূল্যের এই চাপ সামলাতে ভর্তুকি জরুরি। আর কোন কিছুর দাম নিয়ন্ত্রণে না থাকায় এক প্রকার অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ।

পেঁয়াজের দাম আগেই কয়েক দফা বেড়েছে। ভরা মৌসুমের আগেই হাত দেয়া যাচ্ছে না শীতের সবজিতে। বাজারে বেশিরভাগ পণ্যের দামই চড়া। এরই মাঝে ডিজেলের মূল্য এমন হঠাৎ বৃদ্ধি, এক লাফে লিটারে ১৫ টাকা। নাভিশ্বাস কেবল সাধারণ মানুষের।
ডিজেলের বাড়তি দামে সরকারের সঙ্গে এককাতারে জিতেছে সড়ক ও জলপথের পরিবহণ মালিকরা। পরাজয় এখানে যাত্রীদের। পণ্য পরিবহনের বাড়তি খরচ বাজারের আগুণ আরো উসকে দিচ্ছে।

খাদ্যপণ্যের সঙ্গে বাড়তি পরিবহন ব্যয় যোগ হওয়ায় স্বাভাবিক দামের চেয়ে বেশি দামে পণ্য কিনতে হয়েছে ক্রেতাদের।
শীতের নতুন সবজি হিসেবে দাম একটু বেশি থাকবে এটাও সত্য। কিন্তু এত বেশি দাম হবে কেন? টম্যাটো আরও এক মাস আগ থেকে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। দাম কমার চেয়ে বরং প্রতিদিনই বাড়ছে। এখন যে সময় তাতে বাজারে কাঁচা টম্যাটোর দাম কম হওয়ার কথা আর পাকা টম্যাটোর দাম বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু পুরোটাই উল্টো।

এমনিতেই ব্যবসায়ীরা নানা অজুহাতে পণ্যের দাম বাড়াচ্ছেন। আর এখন তো তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ফলে আরও এক দফা বাড়তি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে।

যেসব ভ্যানে সবজি বিক্রি করা হয়, সেটিও এখন অনেকটা কমে গেছে। বেশি দাম হওয়ায় এখন ক্রেতারা ভ্যান থেকে সবজি কিনতে আগ্রহী হন না। জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির এই চাপ সামলাতে কিছু ক্ষেত্রে ভর্তুকির ব্যাবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।

কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম জুয়েল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *