কৃষক ও ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করবে কে?

কৃষি নির্ভর বাংলা দেশে চাঁদপুরের অবস্থান অন্যতম। চাঁদপুর জেলার মানুষজন এখনো কৃষি নির্ভর। অধিকাংশ জনসাধারণই কৃষির সাথে জড়িত। কৃষি জমি না থাকলেও অনেকে অন্যের জমি নিয়ে চাষাবাদ করেন। সম্প্রতি চাঁদপুর জেলায় আগাম শীতকালীন সবজি চাষের ব্যাপক ফলন হয়েছে। অধিক ফলমে কৃষকদের মূখে হাসি ফুটলেও অভিযোগ আশানুরূপ দাম পাচ্ছে না তারা। এটি কৃষকদের নিত্য অভিযোগ। সকল ফসলেই কৃষকদের এমন অভিযোগের কথা শোনা যায।

আসলে চাষাবাদ করতে বর্তমানে যে পরি¥ান খরচ হয় সেই তুলনায় মূল্য পায় না কৃষকরা। সকল চাষাবাদই এখন রাসায়নিকের উপর নির্ভরশীল। রাসায়নিক ব্যবহার ছাড়া এখন আর ফসল উৎপাদনের কথা চিন্তা করা যায় না। জৈব্য পদার্থের ব্যবহার নেই বললেই চলে। আবার কিছুকিছ ক্ষেত্রে জৈব্য সারের ব্যবহার হলেও পরে রাসায়নিক ও কীট নাশক ব্যবহার ছাড়া ফসল ঘরে ওঠে না।

এমন পরিস্থিতে কৃষকদের খরচের তুলনায় আশাব্যঞ্জক মুনাফা অর্জিত হয় না। তবে কৃষকরা তার ন্যায্য মূল্য না পেলেও খুচরা বাজারে সবজির দাম কমছে না। এর অন্যতম কারণ হলো মধ্যসত্বভোগী একদল ব্যবসায়ী। এসব ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজারকে অস্থিতর করে রাখে। মাল ফেলে দিবেন তবুও কম দামে বা অল্প লাভে বিক্রি করেন না। তাদের যেন অযুহাতের শেষ নেই।

এ ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তেমন কোন নিয়ন্ত্রণ না থাকার কারণে এসব মধ্যসত্বভোগীরা নিয়ন্ত্রণহীন। তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করার মতো কেউ নেই। ফলে বাজার বারো মাসই অস্থিত থাকে অধিক মূল্যের কারণে। আমরা মনেকরি এর একটা বিহিত হওয়া দরকার। এসব সিন্ডিকেটদের নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে কৃষকরাও প্রতারণা শিকার হতে হবে আবার ভোক্তারাও চড়া মূল্যে জিনিষপত্র কিনে খেতে হবে। এমনটা এখন নিয়তি। আমরা মনেকরি এর থেকে পরিত্রানের রাস্তা খোঁজা দরকার। এ ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগকেই উদ্যোগ নিতে হবে বলে মনেকরছি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *