খোলা তেলের কেজি দুই শত টাকা

এস আর শাহ আলম আবারও ভোজ্য তেল নিয়ে দোকানীদের অজুহাতের শেষ নেই, যায় যায় ইচ্ছে মত সোয়াবিল তেল বিক্রি করছে, খোলা সোয়াবিন তেলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২ শ টাকা, যাহা সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে বলে জানান।
গত তিন দিন ধরে আরেক ধাপ বারলো ভোজ্য তেল সোয়াবিন, সোমবার বাজার দরে খোলা সোয়াবিনের লিটার ছিলো ১৮০ টাকা মঙ্গল বারের বাজারে ১৯০ টাকা কেজি হলেও বুধবারের বাজার দর ১৯৬ টাকা কেজি প্রতি পাইকারি দরে বিক্রি হতে দেখা যায়।
আর পাইকারি বাজার দরের হাত বদলে তেলের কেজি ২শ থেকে ২০৫ টাকা কেজি খুচরা বাজারে বিক্রি করতে দেখা যায়,
গত তিন দিনে পুরানবাজার পাইকারি বাজারে খোলা তেলের কেজি প্রতি ২৫ টাকা বেরেছে, আর পাইকারি বাজার গুরে হাত বদলে লিটারে ৩০ টাকা বেরেছে, এতে করে মাানুষের মাঝে হতাশ দেখা যায়, কেনো না ২০০৯ সালে এই ভোজ্য তেলের লিটার ছিলো ৫৫ থেকে ৫৮ টকা, এর পরে কিছুটা বারতে বারতে ২০২১ সাল পর্যন্ত ৭৮ -৮৫ টাকা থাকলেও, চলতি বছর তেলের বাজার রেকট করে ১৭৫ টাকা কেজি বিক্রি শুরু হয়। অথচ ঈদ কে সামনে রেখে তেলের কেজি ২ শ টাকায় দারালো,
এ বিষয়ে পুরাানবাজার পাইকারি ব্যাবসায়িদের সাথে আলাপ করলে তারা জানান তেলের সংকট আমদানী খুবই কম তাই আমরা অতিরিক্ত টাকায় কিনে আমদানী করি বলে বেশি দামে বিক্রি করছি, এরা নানাহ অজুহাতের দোহাই দেখিয়ে নিজেদের দোষ অর্ণের ঘারে ধাবিত করছে। অপর দিকে খোলা বাজারে দোকানীরা নিজেদের ইচ্ছে মত তেলের মূর্ল নির্ধারণ করে বিক্রি করছে। কেউ ১৯৬ টাকা কেউ বা ২ শ টাকা, তবে পাইকারি বাজার গুলিতে যেমন মূর্ল তালিকায় তেলের মূর্ল উল্লেখ নেই, ঠিক তেমনি করে খুচরা দোকানীদের ও নেই, যার কারনে পাইকারি আর খুচরা বাজারে তেলের তেলেশমতি চলছে হর হামেশাই।
এইত গেলে মূল বাজারের দরের তালিকার খবর। কিন্তু জেলার হাইমচর, ফরিদগঞ্জ, শাহরাস্তি, মতলব দক্ষিণ ও উত্তর,হাজিগঞ্জ,কচুয়ার চিএ আরেকটু বেশি বলে জানা যায়। তেলের হাহাকার দেখিয়ে অসাধু ব্যাবসায়িরা তেলে মজুত করছে বলে অনেকেই জানান।কিন্তু চাঁদপুর ভোক্তা অধিকারের বাজার মনিটরিং না করায় ব্যাবসায়িরা তাদের ইচ্ছে মত তেলের বাজার রেকট করেছে বলে সুএে জানায়। সচেতন মহল বলেন তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার ভূমিকা রাখলেও জেলার বাজার মনিটরিং ভেস্তে গেছে ফলে তেলের বাজার হু হু করে বারছে।
এদিকে বোতল জাত করন তেলের লিটার প্রতি ১৭৫ টাকা বিক্রি করছে, আবার কেউ কেউ ১৯৫ টাকা বা ২ শ টাকা বিক্রি করছে এখানেও সিন্ডিকেড, আর বড় ধরনের সিন্ডিকেট চাঁদপুর জেলার একমাএ বাণিজ্যিক এলাকা পুরানবাজার চলছে তাহা ভাঙার লোক নেই, তাছারা চাঁদপুর চেম্বার অব কমাসের কোন নজর বা তদারকি নেই, কারন তারা নিজেরাই তেল চিনি সহ নানাহ খাদ্দ পর্ণের ব্যাবসায়ি, আর তাই এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক নজর দিবেন বলে মনে করেন জেলাবাসি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.