হাজীগঞ্জে মায়ের সামনে অটোরিক্সা চাপায় শিশু নিহত

মায়ের সাথে সড়কের পাশে দ্বাড়িয়ে ছিলো শিশু ইব্রাহিম খলিল (৫)। সড়কের বিপরীত পাশ থেকে ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিক্সা ইব্রাহিমকে চাপা দেয়। এতে মারাত্বক রক্তাক্ত জখম হয় শিশুটি। সাথে সাথে স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষনা করে।

শনিবার ( ১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যার আগে হৃদয় বিদারক ঘটনাটি ঘটে হাজীগঞ্জের বাকিলা ইউনিয়নের বাকিলা চাপাতলি সড়কের সন্না গ্রামর কানির বাড়ি এলাকায়। ইব্রাহিম খলিল মধ্য সন্না খাঁন বাড়ির মাওলানা ইলিয়াস খাঁর একমাত্র সন্তান।

দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সন্না গ্রামের মৃত সেরাজল হকের ছেলে সফিকুর রহমান জানান, শিশুটি স্থানীয় ফুলছোঁয়া মাদ্রাসার ছাত্র। সন্ধ্যার কিছু আগে শিশুটিকে তার মা মাদ্রাসায় দিয়ে আসার জন্য নিজেদের বাড়ির সামনে সড়কের পাশে এসে দ্বাড়ায়। কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই সড়কের বিপরীতি দিক থেকে ব্যাটারি চালিত একটি অটোরিক্সা শিশুটির উপর দিয়ে একটি উঠিয়ে দেয়। এ সময় আমরা অটোরিক্সাটিকে উল্টে ধরে তার নীচ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হলে সেখানে চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষনা করে।

শিশুটিকে উদ্ধারকারী আরেক প্রত্যক্ষদর্শী সন্না গ্রামের মোল্লা বাড়ির রহিম বক্স মোল্লার ছেলে ইউনুস মোল্লা জানান, ঘাতক অটোরিক্সার মধ্যে থাকা যাত্রীরা আমাদেরকে জানায়,অটোরিক্সা চালক মোবাইলে কথা বলতে গিয়ে গাড়িটিকে নিয়ন্ত্রনে রাখতে না পেরে সড়কের বিপরীত পাশে মায়ের পাশে দ্বাড়ানো শিশুটিকে চাপা দেয়।অটোরিক্সা চালক মধ্য সন্না মিজি বাড়ির মৃত ইদ্রিস মিজির ছেলে ইউনুস মিজি (৫০) এদিকে ঘটনার পর পর পালিয়ে যায় তবে অটোরিক্সাটি স্থানীয়রা আটকিয়ে রেখেছে।

দুর্ঘটনায় শিশু মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হারুনুর রশিদ জানান খবর পেয়ে লাশ উদ্ধারের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুলিশ পাঠানো হয়েছে আর দুর্ঘটনা কবলিত অটোরিক্সাটি নিয়ে আসার জন্য লোক পাঠানো হয়েছে।

হাজীগঞ্জ প্রতিনিধি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *