ব্যক্তিপর্যায়ে নাগরিক সচেতনতা খুবই জরুরি

 

ব্যক্তিপর্যায়ে নাগরিক সচেতনতা খুবই জরুরি

কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম জুয়েল

২০২০ সালের ৮ মার্চ প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। এর পর থেকে সংক্রমণ ও শনাক্তের হার বাড়তে থাকে। ওই বছর শনাক্তের হার সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ৩ আগস্ট। ওইদিন শনাক্তের

হার ছিল প্রায় ৩২ শতাংশ। এর পর থেকে সংক্রমণ ধীরগতিতে কমতে থাকে। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সংক্রমণ বেড়ে ২৩ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি ৩৩

দশমিক ৩৭ শতাংশ। এটিই এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ শনাক্তের হার। এর পর সংক্রমণ কমতে থাকে। জুনের মাঝামাঝি থেকে আবারও সংক্রমণ ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়। কিন্তু এখন আবার

নিম্নমুখী দেখা যাচ্ছে।

 

করোনা ভাইরাসের ক্রমাগত জিনবিন্যাস বদলের ফলে সংক্রমণ ক্ষমতা এখন অনেক বেড়েছে। তাই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে সর্বস্তরে মাস্কের ব্যবহার, হাত

ধোয়া বা স্যানিটাইজ করার চর্চায় ফিরে যেতে হবে এবং বজায় রাখতে হবে সামাজিক দূরত্ব। প্রত্যেককে যার যার অবস্থান থেকে এটি বাস্তবায়ন করতে হবে। এর পাশাপাশি যারা

এখনো টিকার বুস্টার ডোজ নেননি, তাদের তা দ্রুত নিয়ে নিতে হবে। সব ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। তা না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। এ জন্য সরকারকে

স্বাস্থ্যবিধি মানাতে ও সবাইকে টিকার আওতায় আনতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে- চতুর্থ ঢেউয়ের নতুন ভাইরাস এলেও যাতে আমরা খুব দ্রুত প্রতিরোধ করতে পারি। ব্যক্তিপর্যায়ে

স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে নাগরিক সচেতনতা খুবই জরুরি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.