গভীর জলে জেলে আর এক নারীর গল্প: এসেছে হাওয়ার ট্রেলার

গত রোববার ‘হাওয়া’ সিনেমার ট্রেলার প্রকাশের কথা ছিল। সব প্রস্তুতি থাকলেও চট্টগ্রামে কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনায় শোক প্রকাশ করে পিছিয়ে দেওয়া হয় ট্রেলার প্রকাশ। অবশেষে সেই ট্রেলার আজ প্রকাশ পেয়েছে। ২ মিনিট ২৫ সেকেন্ডের ট্রেলার পুরোটাই ছিল চমকে ভরপুর। সমুদ্রে একটি বোটে গাদাগাদি করে বসা চঞ্চল, শরীফুল রাজরা। শুরুতেই চঞ্চলের রহস্যময় সংলাপ, ‘এ্যাই কোন বোট থেকে আইছো, সত্য করে কও…কথা কচ্ছ না ক্যান?’ এরপরেই একটি টর্চলাইটের আলো পড়ে একটি মেয়ের মুখে। এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন নাজিফা তুষি। পরে যেন পুরো রহস্যময় আর রোমাঞ্চকর আবহে এগিয়ে ‘হাওয়া’ ট্রেলার।

 গভীর-জলে-জেলে-আর-এক-নারীর-গল্প-এসেছে-হাওয়ার-ট্রেলার

জলকেন্দ্রিক মিথ নিয়ে নির্মিত সিনেমা ‘হাওয়া’। ২০১৯ সালে শুরু হয়েছিল সিনেমার শুটিং। ওই সময় প্রকাশ পেয়েছিল সিনেমাটির প্রথম পোস্টার। পরে করোনার কারণে দীর্ঘ দুই বছরের বিরতি দিয়ে গত এপ্রিলে সিনেমাটির অফিশিয়াল পোস্টার প্রকাশ পেয়ে আলোচনায় আসে ‘হাওয়া’। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একযোগে মাছরাঙা টেলিভিশনের ইউটিউব চ্যানেল, ফেসকার্ড প্রোডাকশনের ফেসবুক পেজসহ ছবির শিল্পীদের নিজেদের ফেসবুকে পেজে প্রকাশিত হয় ট্রেলারটি।

গভীর সমুদ্রে একদল জেলে। মাছ ধরতে গিয়ে নানা রহস্যময় ঘটনার মুখোমুখি হন তাঁরা। কখনো উত্তাল সমুদ্রে, কখনো মানুষের আচরণে বোটটি হয়ে ওঠে সমুদ্রের চেয়েও ভয়ংকর। সমুদ্র ঝড়ে মাঝিদের অবস্থান, মাছ না ওঠা, সমুদ্রের গভীরে হারিয়ে যাওয়া, এক নারীকে নিয়ে ঘটতে থাকে নানা অপ্রত্যাশিত ঘটনা। একসময় পুরো ট্রলারেই বেধে যায় হাঙ্গামা। ছোট দৃশ্যের মাধ্যমে ট্রেলারটি ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে আবহ সংগীত। মনে হতে পারে এখানেই পুরো গল্প। তবে সিনেমার পরিচালক জানালেন, ‘গল্পের কিছু অংশ এখানে থাকলেও আমাদের চমকের সিংহ ভাগ সিনেমা হলে গিয়েই দর্শকদের দেখতে হবে।’

ট্রেলার প্রকাশিত হলেও এখনো ছবির সেন্সর হয়নি। সিনেমাটির মুক্তির তারিখও ঘোষণা করা হয়নি। এ ব্যাপারে ছবির পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন বলেন, ‘ছবিটি সেন্সরে জমা দেওয়া সব আয়োজন শেষ। কাগজপত্র সংগ্রহ করেছি। দু-এক দিনের মধ্যে ছবিটি সেন্সরে জমা দেব। আশা করছি চলতি মাসের মাঝামাঝিতে সেন্সর হয়ে যাবে। এরপর মুক্তির তারিখ ঘোষণা করব।’ ‘হাওয়া’ ছবিতে অভিনয় করছেন চঞ্চল চৌধুরী, শরীফুল রাজ, সুমন আনোয়ার, নাজিফা তুষি, সোহেল মণ্ডল, নাসির উদ্দিন খান প্রমুখ। ছবিটির কাহিনি ও সংলাপ লিখেছেন সুমন নিজেই। যৌথভাবে চিত্রনাট্য করেছেন মেজবাউর রহমান সুমন, সুকর্ণ শাহেদ ও জাহিন ফারুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *