তিন তারকার টার্নিং পয়েন্ট

তিন তারকার টার্নিং পয়েন্ট
তিন তারকার টার্নিং পয়েন্ট

চাঁদপুর সময় রিপোট-শোবিজ তারকার গল্প শুনতে সর্বদাই কৌতূহল থাকে পাঠকমনে। প্রিয় শিল্পী কীভাবে শোবিজে যুক্ত হলেন, কোন কাজটি ক্যারিয়ারে টার্নিং পয়েন্ট- এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে আগ্রহ আছে সবার। আমাদের আজকের আয়োজন তিন তারকার টার্নিং পয়েন্ট নিয়ে… রবিবার’ সবই বদলে দিয়েছে শাওন

বিটিভির ‘নতুন কুঁড়ি’তে হাতেখড়ি হলেও একটা নাটকই বদলে দেয় মেহের আফরোজ শাওনের জীবন। এ নিয়ে তার ভাষ্য, “শিশুশিল্পী ইমেজ থেকে বেরিয়ে এসে আমার প্রথম ধারাবাহিক নাটক ছিল ‘নক্ষত্রের রাত’। এতে কাজ করতে গিয়ে পরিচয় হয় হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে। এর পর তার পরিচালনায় ‘আজ রবিবার’ ধারাবাহিকেও অভিনয় করি। নাটকটি সবই বদলে দিয়েছে। আমার স্বাভাবিক জীবন আর স্বাভাবিক ছিল না।’ পরিবর্তনটা কেমন জানতে চাইলে শাওন বলেন, “হুমায়ূন আহমেদের ‘আজ রবিবার’ নাটকে যখন অভিনয় করি, তখন আমার বয়স ১৬। শুটিংয়ের সময় ভাবনায়ও ছিল না যে, নাটকটা দর্শক এত বেশি পছন্দ করবে। নাটকটি প্রচার হওয়ার পর দেখি সবাই আমাকে চেনে। এক সময় তো বাসা থেকে বের হতে পারতাম না। যে আমি ইচ্ছে হলেই বইমেলা কিংবা বাণিজ্যমেলায় চলে যেতাম, রাস্তায় ঘুরে বেড়াতাম, পথের পাশে দাঁড়িয়ে ফুচকা খেতাম, কেনাকাটা করতে মার্কেটে চলে যেতাম- সেই আমার সবকিছু বন্ধ হয়ে যায়।”

ক্যারিয়ারকে সমৃদ্ধ করেছে ‘কুলি’ পপি

জমিদার বাড়ির মেয়ে হবেন অভিনেত্রী, এ কি ভাবা যায়! কিন্তু সে ভাবনাকে সত্য প্রমাণ করেই অভিনেত্রীর খাতায় নাম লিখিয়েছিলেন পপি। তবে অভিনেত্রী হওয়ার আগে তিনি ছিলেন মডেল। তারও আগে লাক্স ফটোসুন্দরী। কিন্তু সেসব পরিচয় ছাপিয়ে অভিনেত্রী পরিচয়ই মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু তাই নয়, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী হিসেবে তিন তিনবার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। অবশ্য এর জন্য পাড়ি দিতে হয়েছে অনেকটা পথ। শুরুটা হয়েছিল ১৯৯৫ সালে। খুলনার শিববাড়ী জমিদার পরিবারের মেয়ে পপি হঠাৎ করেই নাম লেখান লাক্স ফটোসুন্দরী প্রতিযোগিতায়। অনেককে পেছনে ফেলে হন বিজয়ীও। ১৯৯৭ সালে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘কুলি’ ছবি দিয়ে বড়পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। প্রথম ছবিতেই পপি দর্শক কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন। তিনি বলেন, ‘প্রথম ছবিতে সাফল্য সবার ভাগ্যে আসে না। কিন্তু আমার বেলায় তার ভিন্নচিত্র ঘটেছে। এ ছবিটি আমার ক্যারিয়ারকে সমৃদ্ধ করে দিয়েছে।’ এর পর থেকে আর থেমে থাকা নেই। প্রায় দেড় শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন পপি। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য- ‘কারাগার’, ‘মেঘের কোলে রোদ’, ‘ক্ষ্যাপা বাসু’, ‘গঙ্গাযাত্রা’, ‘ওদের ধর’, ‘বিষাক্ত চোখ’, ‘প্রেম করেছি বেশ করেছি’, ‘কি যাদু করিলা’ প্রমুখ। এর মধ্যে ‘কারাগার’, ‘মেঘের কোলে রোদ’ ও ‘গঙ্গাযাত্রা’ ছবির জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন পপি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.