মতলব উত্তর ইমামপুর পল্লী মঙ্গল উবিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাঠদান

মতলব উত্তর উপজেলার ইমামপুর পল্লী মঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয় সরকারের দেয়া স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পাঠদান চলছে।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ মোতাবেক সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দুইটি গেট দিয়ে প্রতিদিন শ্রেণীকক্ষে প্রবেশ করে। প্রবেশ পথে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষক ও স্কাউট সদস্য হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাক্স নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। বিদ্যালয় আগত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্ক ব্যবহার করে ডুকতে হয়।

শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করার পর প্রতিটি টেবিলে দু’জন করে শিক্ষার্থী আসনে বসে। সর্বোপরি আনন্দঘন পরিবেশে পাঠদান করা হয়। দেড় বছর পর বিদ্যালয় খুলে দেওয়ায় শিক্ষার্থীরা আনন্দ প্রকাশ করেছে। কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে আলাপ জানা গেছে, তাঁরা খুশি। এখন পাঠে মনোনিবেশ করতে পারবে।

শিক্ষার্থী জানান, আজ আমি সত্যিই খুব আনন্দিত স্কুলে আসতে পেরে। আমার খুব ভাল লাগছে। সত্যি কথা বলতে আজকের দিনটি সত্যিই মনে রাখার মত। সবচেয়ে মজা লেগেছে স্কুলে বরণ করার বিষয়টি।

শিক্ষকরা জানান, দীর্ঘদিন পর সশরীরে পাঠদানে অংশ নিতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস নেয়ার জন্য আমরা সব ধরণের ব্যবস্থা করেছি। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাস্ক পড়ার বিষয়টি কঠোরভাবে নজরদারি করা হচ্ছে। আজকের অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। দীর্ঘ দিন পর শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানে এসেছে এ এক অন্যরকম অনুভূতি।

শিক্ষকরা আরো জানান, শিক্ষার্থী ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একদমই অচল। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমায় দীর্ঘ দিন পর স্কুল খুলল। একটা কথা চির সত্য তা হলো শিক্ষার্থী ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একদমই অচল। এই দুইয়ের সমন্বয় না থাকলে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো যায় না।

ইমামপুর পল্লী মঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সরকার আবুল কালাম আজাদ বলেন দীর্ঘ ১৭ মাস পর বিদ্যালয় খুলে দেওয়ায় সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।

তিনি জানান, প্রতিটি শিক্ষার্থী মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বিদ্যালয়ের ফটক দিয়ে প্রবেশ করে। এছাড়া শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের শরীরের তাপমাত্রা মেপে প্রবেশ করতে হয়। কোনো শিক্ষার্থী মাস্ক নিয়ে না আসলে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আমরা সরবরাহ করে থাকি। অফিস কক্ষের সামনে বিশুদ্ধ পানি ও সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাসান কাইয়ুম চৌধুরী জানান, দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর পরে সরকারের ১১ দফা ও ১৯ দফা মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরিধান করে শ্রেণী কক্ষে প্রবেশ করছে এবং সারিবদ্ধভাবে শ্রেণীকক্ষ ত্যাগ করছে। সবাই নিয়ম মেনে চলছে।

মতলব উত্তর প্রতিনিধি

Leave a Reply

Your email address will not be published.