হাজীগঞ্জে ডিগ্রি কলেজে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাঠদান

দেড় বছর পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঈদ আনন্দ লক্ষ্য করা গেছে। স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান সরকারী নিয়মে দিক নির্দেশনা দিয়ে নিরাপদ স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুরু করেছেন পাঠদান কার্যক্রম।

সোমবার সকাল ১০টায় হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে স্বতস্ফুর্তভাবে উপস্থিতিতে যেন তাদের মধ্যে দেড় বছরের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে। কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যেন মহা আনন্দের বন্যা বয়েছে।

শ্রেণিক্ষের বাইরে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করলেও কলেজ অধ্যক্ষ মাসুদ আহম্মেদ কঠোর নির্দেশনায় শ্রেণিকক্ষে ছিলো সরকারী নিয়মানুয়ী নিরাপদ দূরত্বে।

হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী সিমা আক্তার বলেন, আমি ভয় পাচ্ছি। কিন্তু এতদিন পরে বন্ধুদের দেখে আমি খুবই আনন্দিত।কলেজ বন্ধ থাকায় লেখাপড়ার তেমন চাপ ছিল না। ক্লাসের পড়া মুখস্ত করে যেতে হবে এমন কোনও বাড়তি চাপ ছিল না। এ শিক্ষার্থী আরো জানান, নতুন করে শিক্ষাজীবন শুরু করতে পেরে খুবই খুশি।

হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. মাসুদ আহম্মেদ বলেন, প্রথমে আমি ধন্যবাদ জানাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানখুলে দেওয়া। আমরা সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক স্বাস্থ্যবিধি মেনে কলেজ খুলেছি।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের হাত ধোয়া, তাপামাত্রা মাপা,স্যানিটাইজ করার পর স্কুলে প্রবেশ করানো হয়েছে। এরআগে গোটা কলেজ ক্যাম্পাস, ক্লাস রুম, শিক্ষার্থীদের কমন রুম, টয়লেট- সবকিছুই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। ক্লাস রুমে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কলেজে পর্যাপ্ত স্যানিটাইজ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো ছুটি ঘোষণার পর শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ছিল না।

আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা পর অনলাইন ভার্চ্যুয়াল ক্লাস শুরু করি। আর যারা অনলাইন ভার্চ্যুয়াল ক্লাসে যেতে পারে নাই তারাও অনলাইনে ভিডিও ক্লাস আপলোড করে ছুটির ক্ষতি পুষিয়ে নিয়েছে।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সঙ্গে আমরা শিক্ষকরাও খুব খুশি কলেজ খুলতে পেরে। আশা করছি, আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে পারবো। আর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে সংক্রমণের আশঙ্কাও থাকবে না।

হাজীগঞ্জ প্রতিনিধি

Leave a Reply

Your email address will not be published.