পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জনে উদ্যোগ নিতে হবে

কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম জুয়েল
দেশে যে হারে জনসংখ্যা বাড়ছে তাদের খাদ্যচাহিদা পূরণের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিকর খাদ্যের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা। অন্যথায় ভবিষ্যৎ প্রজন্ম টিকে থাকা কঠিন হবে। এখনো আমাদের দেশের মানুষ খাদ্যনিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। প্রধান খাদ্যশস্যের উৎপাদন তিন থেকে পাঁচ গুণ বাড়লেও অপুষ্টিতে ভোগা মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে। দেশের অর্ধেক গর্ভবতী নারী রক্তশূন্যতায় ভোগেন। বিশ্বে খাদ্যশক্তি গ্রহণের গড় দুই হাজার ৯৪০ কিলো ক্যালরি। আর আমাদের দেশে এ হার দুই হাজার ৫১৪ কিলো ক্যালরি। বাংলাদেশে খাদ্যতালিকায় শতকরা ৭০ ভাগ ক্যালরি আসে দানাদার খাবার থেকে। বিশেষ করে ধান থেকে।
দেশ আগামীতে যাতে খাদ্যশস্যের সঙ্কটে না পড়ে তার জন্য প্রয়োজন শস্য বিন্যাস পরিবর্তন ও আধুনিক কৃষি সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়ানো। এখনো কৃষিই বাংলাদেশের মূল চালিকাশক্তি। খাদ্যশস্য ঘাটতি পূরণে দেশে ফসল উৎপাদনের ধারাতে পরিবর্তন আনতে হবে। চাহিদা প্রতি বছর বাড়তে থাকায় উৎপাদনের ধারা বজায় রাখতে দেশের হাওর, চর এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাসের পাহাড়ি এলাকায় উন্নত কৃষিপ্রযুক্তি বিস্তারের মাধ্যমে খাদ্য ও পুষ্টিনিরাপত্তা অর্জনের উদ্যোগ নিতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.