বাড়ছে নদ-নদীর পানি চাঁদপুরে বন্যা মোকাবেলায় পূর্ব প্রস্তুতি জরুরি

পাহাড়ি ঢল ও তিস্তা ব্যারেজ খুলে দেয়ায় দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীসহ পদ্মা-মেঘনা নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-মধ্যাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলের চাঁদপুরসহ ১২ জেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতির দিকে যাচ্ছে। ২৮ আগস্ট শনিবার সকালে দেশের আটটি নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার খবর জানা গেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর অবস্থার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত বছরের বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনা করে চলতি বছর আগে থেকেই বন্যা নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে প্রস্তুতি নেয়া দরকার।

এদিকে আটটি নদীর পানি ১২টি পয়েন্টে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে জানিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, পদ্মা নদীর পানি সুরেশ্বর ও গোয়ালন্দ পয়েন্টে, মেঘনা নদীর পানি চাঁদপুরে বিপৎসীমার উপর দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে। চাঁদপুরের চরাঞ্চল এরইমধ্যে প্রবাহিত হয়েছে। কৃষি ফসলও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ঝুঁকিতে রয়েছে চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধ।

চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগকে আরও বেশি সতর্ক হওয়ার পাশাপাশি তড়িৎ ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। জেলা প্রশাসন চলমান উন্নয়ন প্রকল্প ও করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। কিন্তু বর্তমানে এসবের পাশাপাশি চাঁদপুর শহররক্ষা বাঁধের প্রতিও দৃষ্টি দেয়া জরুরি।

যেহেতু দেশের ৮০ভাগ নদ-নদীর পানি মেঘনা নদী দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়। তাই প্রতিবছরই জেলার চরাঞ্চল প্লাবিত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফসলি জমি ও গবাদি পশুর বিচরণ কেন্দ্র। পাশাপাশি ঝুঁকিতে পড়ে চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধ। তাই এ বছরেও সে ঝুঁকি থেকে রক্ষা পেতে বাঁধের আশংকাজনক স্থানগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া জরুরি।

কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম জুয়েল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *