বিবেককে একটু জাগ্রত করুন দয়া করে

কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম জুয়েল

দেশে ধান, চালের অভাব নেই। অথচ চালের বাজার চড়া। নাজিরশাইল চাল ৭৫ টাকা, মিনিকেট ৭০ টাকা কেজি। পেট্রলের মূল্যবৃদ্ধির খোঁড়া অজুহাত দেখিয়ে সবখানে লাগামহীন

 

মূল্যবৃদ্ধি। কথায় কথায় শোনা যায় সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে এসব হয়। মুহূর্তে কয়েকদিন দাম বাড়িয়ে কয়েকশ কোটি টাকা পকেটে পুরে নেয় ব্যবসায়ীরা। এ যেন দেখার কেউ নেই।

সব গা সওয়া হয়ে গেছে মধ্যবিত্তের, গরিবের। এদের মোটা চামড়া। রোদ-বৃষ্টি, সব সহ্য করে। খোঁড়া যুক্তি এদের বোঝানো হয় সব সময়। নিত্যপণ্যের বাজারে লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে

মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। যাদের ঘুষের চাকরি, যারা ব্যবসায়ী তারা হিমশীতল। গরিবরা পণ্যের গরমে গা ঝালাপালা। সংসার চালানো কঠিন হয়ে গেছে। কেউ কথা বলে না। মনে হয়

সব ঠিকঠাক আছে। কিন্তু ঠিক যে নেই, এটা বলার কেউ নেই।

 

এর জন্য সরকার যদি উদ্যোগ না নেন তাহলে কে নেবে? সর্ব অঙ্গে ব্যাথা ঔষধ দেবো কোথা। দেশের রন্দ্রে রন্দ্রে এখন দুর্নীতি ছেয়ে গেছে। বলার ভাষাও হারিয়ে ফেলেছে মানুষ। দ্রব্য

মূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ দিশেহারা হলেও ভাষা প্রকাশেরও যায়গা নেই। শব্দ করলেই নির্যাতন নিপিড়ন পোহাতে হয়। তাই ভয়েই মানুষ মুখ খোলতে চান না। মুখ খোললেইতো

চেয়ারম্যান মেম্বাররা গরিবের সুযোগ সুবিধা বন্ধ করে দিবে বিএনপি জামায়াত বলে। তাই বাধ্য হয়েই মুখ বুঝে শুধু হজম করে যাচ্ছে সাধারণ মানুষ। আর আড়ালে চোখের পানি

ফেলছে।

আমরা চাঁদপুরের অসহায় মানুষদের দেখেছি এবং কথা বলার চেষ্টা করছি কেউ ভালো নেই। সবাই দুর্বিসহ জীবন যাপন করছেন। উদ্বেগ উৎকণ্ঠা নিয়ে পরিবারের নিত্য প্রয়োজন

মেটাতে পারছেন না।
অথচ সমাজ পতির দাবিদাররা এ ব্যাপারে একেবারেই যেন নির্বিকার। কি হবে এই সমাজটার ? দায় বেড়েছে কিন্তু আয়ের অবস্থাটা কি তা কেউ বলতে চাচ্ছে না। এমনটা কেনো ?

 

 

মানবতা কি আজ একেবারেই নিরুদ্দেশ। আমরা আর কি বলবো নিজের বিবেককে একটু জাগ্রত করুন দয়া করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.