ভবিষ্যত প্রজন্ম রক্ষায় বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী

কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম জুয়েল

দেশে আত্মহত্যার ঘটনা দিন দিন বাড়ছে।প্রতিবছর বাড়ছে আত্মহত্যা চেষ্টার মতো সামাজিক সমস্যা। পুরুষের চেয়ে আত্মহত্যায় এগিয়ে নারীরা। আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩২ দশমিক ৯৯ শতাংশ পুরুষ ও ৬৭ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ নারী রয়েছে। মাদ্রাসায় পড়ুয়া ৪৪ জন আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৯ দশমিক ২৯ শতাংশ পুরুষ ও ৬০ দশমিক ৭১ শতাংশ নারী রয়েছে।

পদক্ষেপ আত্মহত্যার পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে প্রেমঘটিত কারণে। অভিমান, সেশনজট, পড়াশোনার চাপ, পরিবার থেকে কিছু চেয়ে না পাওয়া, পারিবারিক কলহ, ধর্ষণ ও যৌন হয়রানি, চুরি বা মিথ্যা অপবাদ, মানসিক সমস্যা, বন্ধুর মৃত্যু, আর্থিক সমস্যার

মতো বিষয়াবলিও আত্মহত্যা নেপথ্যের কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। তা উদ্বেগজনক। আবেগতাড়িত ও পরিকল্পিতÑ এ দুই ধরনের আত্মহত্যা হয়। চাঁদপুরেও আত্মহত্যাকারীর সংখ্যা কম নয়। অহরহই ঘটছে আত্মহত্যার ঘটনা।

তাই আত্মহত্যা প্রতিরোধে সরকারি-বেসরকারি নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করা দরকার। আত্মহত্যা প্রতিরোধে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ব্যাপক সচেতনতা বৃদ্ধি

করা জরুরি। বিশেষ করে ক্যাম্পাস বা হলে প্রতিরোধ করতে কাউন্সেলিং সেন্টারের ব্যবস্থা করতে হবে। তা হলে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার প্রবণতা রোধ করা যাবে।

 

 

পদক্ষেপ

 

সর্বোপরি আত্মহত্যা প্রতিরোধে সবাইকে এ ব্যাপারে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.