মেঘনার ভাঙনে বিলিন হচ্ছে ঈশানবালা

এস আর শাহ আলম স্বাধীনতার পর থেকে মেঘনার ভাঙনে চাঁদপুর জেলা,বিগত ৫০ বছরেও ভাঙন রোধে রোধে স্হানীয় বাঁধ দেওয়া হয়নি, ফলে শুস্ক মৌসুমে মেঘনার ছোবলে নদী গর্ভে চলে যাচ্ছে । তার চেয়ে বেশি ভাঙনের শিকার হয় বর্ষা মৌসুমে। প্রতিবছর ভাঙন রোধে সরকারি ভাবে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ করে। কোন রকম ভাবে জিও বেগে বালু ভরে কিংবা আংশিক সিসি ব্লক ফেলে জোরাতালি দিয়ে ঠেকানো হলেও তাহা আবার নদী গর্ভে চলে যেতে দেখা যায়। এতে করে সরকার যেমনি আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে , ঠিক তেমনি করে নদীর পারবাসি ভিটে মাটি হারিয়ে নিস্ব হচ্ছে। এদিকে চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার ৪ নং নীলকমল ইউনিয়ন পরিষদের আওতাধীন ঈশানবালার চর অঞ্চল মেঘনার ভাঙনে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। চলতি শুস্ক মৌসুমে কয়েক কিলোমিটার কৃষি জমি মেঘনার বুকে তলিয়ে গেছে। এতে করে কৃষকদের কয়েক হেক্টর কৃষি জমি চলে যাওয়ায়। কৃষকরা কৃষি ফলাতে পারছে না বলে তারা জানান।

কৃষকরা আরো জানান আমাদের পৈতৃক সম্পর্ত্বিতে আমরা কৃষি কাজ করে ফসল ফলিয়ে জীবিকা অর্জন করি। অথচ স্থায়ী বাঁধ না থাকার কারনে প্রতি বছরই রাক্ষসী মেঘনার ভাঙন কবলে আমরা ভিটে হারা হই। তার সাথে কর্মহীন হয়ে পরি। বার বার সরকারি ভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হলেও বিগত ৩০ বছরেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। যার কারণে অনেক মানুষ আজ অনেত্র চলে গেছে। কমে গেছে জনসংখ্যা। এদিকে ঈশানবালার ব্যবসায়ি সহ এলাকা বাসি আমাদের জানান, আমরা ছোট থেকে দেখে আসছি মেঘনার ভাঙন। আমাদের বাব দাদা কালের বহু সম্পদ মেঘনার বুুকে তলিয়ে গেছে। কিন্তু কখনো ফিরে পাই না ওই সব সম্পদ। তাছারা পুরনো বাজার টি মেঘনার মাঝ নদীতে। বিগত ২৫ বছরে মেঘনার ভাঙন কবলে পরে ঈশানবালা বাজার আজ চতুর্থ বাজারে পরিণত হয়েছে। বিগত বছরে একে একে তৈরিকৃত মোট ৩ টি বাজার নদি গর্ভে বিলীন হযেছে। বর্তামানে যেই বাজারটি করা হয়েছে তা চতুর্থ বাজার। এই বাজারে শ্বতাধিক দোকনাপাট রযেছে। স্থানীয় মানুষ ব্যবসা করে পরিবার পরিজন নিয়ে দিনাতিপাত করে আসছে।

চলতি বছর যদি বাঁধের কোন ব্যবস্থা না করা হয়, হয়ত আগামি বছর নদিটি বাজারে এসে মিলিত হবে। এ বাজারে ৪নং নীলকমল ইউনিয়ন পরিষদ সহ রযেছে পুলিশ ফাঁড়ি, ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের কারণে আইনের নিরাপত্তা। নাগরিক সেবা সহ শিক্ষার আলোর প্রদীপ। মেঘনার ভাঙন দীর্ঘ হলে এসব সেবা থেকে ইউনিয়নবাসী বঞ্চিত হবে বলে তারা জানান। আর তাই ৪নং নীলকমল ইউনিয়ন মেঘনার ভাঙন থেকে রক্ষা করতে শিক্ষামন্ত্রী সহ চাঁদপুুরের জেলা প্রশাসক অতবি জরুড়ি ব্যবস্থা গ্রহণ করে ভাঙন এলাকায় সি সি ব্লক দিয়ে বাঁধের ব্যবস্থা করার জন্য জোর দাবি জানান এলাকাবাসি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.