চাঁদপুর ও হাইমচরে মৎস্য চাষীদের সতর্কতা জরুরি

চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলার বেড়ি বাঁধের বাইরে নিম্ন্নাঞ্চল এলাকায় মেঘনা নদীর জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গত সোমবার থেকে হাইমচরে উপজেলার নয়ানি ও কাটাখালিসহ বেশ কিছু গ্রামে অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে সহাস্রাধিক পরিবার পানিবন্দি হওয়া খবর পাওয়া গেছে।

এরইমধ্যে পানের বরজ, মৎস্য খামার ও রোপা আমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উত্তরাঞ্চল থেকে বন্যার পানি চাপের কারনে মূলত জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পায় বলে জানায়িছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, এখন অমাবস্যা চলছে। যার কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

এ দু’ উপজেলার বেড়ি বাঁধের বাইরের এলাকায় সাধারণত জোয়ার এলে পানি বৃদ্ধি পায়। এরপর রাতের ভাটায় আবার কমে যায়। এ সময় পানের বরজ, রোপা আমন, বসতবাড়ী ও মৎস্য খামার তলিয়ে যায়। এরইমধ্যে অনেকে মাছের খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
হাইমচর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো.মিজানুর নিম্ন্নাঞ্চল এলাকার মৎস্যচাষী রয়েছেন, তাদের অবশ্যই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

এ দুই উপজেলায় প্রায় ১০ সহস্রাধিক মানুষ মৎস্য উৎপাদন, বিপণন ও খামার ব্যবস্থাপনায় জড়িত। কিন্তু জোয়ারের পানি বৃদ্ধিতে সাময়িক বন্যায় যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে জন্যে সংশ্লিষ্ট পানি উন্নয়ন বোর্ড ও মৎস্য অধিদপ্তরের ভূমিকা প্রয়োজন। নচেৎ জেলায় মৎস্য উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হওয়া ছাড়াও এ পেশায় জড়িত চরম ক্ষতির সম্মুখিন হবে।

কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম জুয়েল

Leave a Reply

Your email address will not be published.