যাত্রী হয়রানী বন্ধে উদ্যোগ নিতে হবে

কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম জুয়েল পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, অধিকাংশ ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত ভাসমান মাদকাসক্তরা। যখন তাদের কাছে মাদক কেনার টাকা থাকে না তখনই তারা মোবাইল ছিনিয়ে নিচ্ছে ও পকেট থেকে টান মেরে টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। তাদের প্রতিরোধে পুলিশের ক্রাইম বিভাগের প্যাট্রোল টিম ও ডিবির ছিনতাই প্রতিরোধ টিম চাঁদপুরের বিভিন্ন পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করে। সেসব পয়েন্ট থেকে নিয়মিত এসব অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। প্রতিদিনই কিছু না কিছু মাদকাসক্ত বা ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার হচ্ছে। গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে। এ ধরনের চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই যেন না বাড়ে তার জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
অপরাধ প্রতিরোধে সবাইকে আরও নিরলসভাবে কাজ করতে হবে। অপরাধ প্রবণতাকে শূন্যের কোঠায় আনা সম্ভব নয়। ঈদকে সামনে রেখে অপরাধীচক্র মাথাচাড়া দেয়, সেটা নিয়ন্ত্রণের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা আরও বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। তবে এর পাশাপাশি জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে। যদি আমরা নিজেরা সচেতন ও সতর্ক হই এবং এর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা চলতে থাকে তা হলে এসব কর্মকা- অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। ঈদ আসলেই চাঁদপুরের লঞ্চঘাট এলাকায় অনেক অঘটন ঘটে। যাত্রী হয়রানি চরম আকার ধারণ করে। আমরা আসন্ন ঈদে সেইসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি চাই না। এর জন্য সকলকে সচেতন হওয়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.