যানজটে সম্প্রসারণ হচ্ছে চাঁদপুর হরিনা ফেরিঘাট

স্টাফ রিপোর্টার চাঁদপুর-শরীয়তপুর ফেরি রুটে যানবাহন চলাচল বেড়ে যাওয়ায় নতুন ফেরিঘাট নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে চাঁদপুর ও শরীয়তপুর অংশে ভূমি অধিগ্রহণের অনুমোদন হয়েছে। অধিগ্রহণ কাজ শেষে হলে এ বছরই উভয়া পাড়ে ঘাট নির্মাণ কাজ শুরু হবে। নতুন ঘাট নির্মাণ হলে দীর্ঘ সময়ের যানজট নিরসণে ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে।

সম্প্রতি সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখাগেছে হরিণা ফেরিঘাটে বর্তমানে দু’টি ঘাট দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকলে এই দু’টি ঘাট দিয়ে ৭টি ফেরি অধিকাংশ গাড়ী পার করতে সক্ষম হয়। তবে নদীতে স্রোত বৃদ্ধি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে যানজটের সমস্যা বাড়তে থাকে।

চাঁদপুর বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা একেএম কায়সারুল ইসলাম জানান, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় এর টিএ শাখা গত ১৬ জানুয়ারি হরিণা ফেরিঘাট ও আলু বাজার ফেরিঘাটে নতুন ঘাট নির্মাণ করার জন্য ভূমি অধিগ্রহণের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।
এই সংক্রান্ত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘাট নির্মাণের জন্য হরিণা ঘাট এলাকায় প্রস্তাবিত গোবিন্দিয়া মৌজায় ২.৩২৯৪ একর এবং নরসিংহপুর মৌজায় ১.৭৪০৬ একর অর্থাৎ মোট ৪.০৭ একর ভূমি অধিগ্রহণ প্রশাসনিক অনুমোদন নির্দেশক্রমে প্রদান করা হলো। এই কর্মকর্তা আরো বলেন, ঘাট নির্মাণের জন্য আমাদের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দ হলে চলতি বছরই কাজ শুরু হবে। আমার জানামতে হরিণা ঘাটের বর্তমান পার্কিং ইয়ার্ডের দক্ষিণে বালু ভরাটকৃত জমিটিই নতুন ঘাটের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। এলাকাবাসী বলছেন হরিনা ফেরিঘাট সম্প্রসারিত হলে যান বাহনের দীর্ঘ লাইন আর থাকবে না। যেহেতু এ ফেরিঘাটের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলছে তাতে এক সময় ফেরি পরিবর্তে দ্রুত সেতু নির্মানের চিন্তা করতে হবে।

দেশের পূর্ব পশ্চিমকে একিভূত করা এই যোগাযোগ মাধ্যম এখন আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় পরিনত হয়েছে। কারণে এ রূটেই এখন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অর্থাৎ চট্টগ্রাম থেকে বেনাপোল হয়ে ভারতে যাতায়াত করছে অসংখ্য যানবাহন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.