শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুই দিনের ছুটি কি খুব প্রয়োজন ?

 

কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম জুয়েল

 

বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে কৃচ্ছ্রসাধনের চেষ্টায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়াও প্রতিকূলতার মধ্যে পড়েছে। এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষাবিদদের মধ্যে। যদিও শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে সাপ্তাহিক ছুটি দুদিন করার পরিকল্পনা ছিল। চলমান পরিস্থিতিতে আমরা

 

 

 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দুই দিন বন্ধ রাখছি। সপ্তাহে দুদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের কোনো ক্ষতি হবে না। বরং তারা এনার্জি নিয়ে পড়ালেখা করতে পারবে। কিন্তু অ

ভিভাবকরা বলেন, ছেলেমেয়েরা ¯ু‹লমুখী না থাকলে বাসায় লেখাপড়া করতে চায় না। কোনো কোনো শিক্ষাবিদ বলেছেন, এই মুহূর্তে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন করা যৌক্তিক হবে না। বরং এখন শিখনঘাটতি পূরণে যেসব পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে, সেগুলো বাস্তবায়ন জরুরি। তবে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, নতুন শিক্ষাক্রমের আলোকে শিখনঘণ্টা ঠিক

করে আগামী বছর থেকে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন করা ঠিক আছে বলে তারা মনে করেন। এ অবস্থায় সরকারের এই সিদ্ধান্তে এখন অভিভাবকদের প্রয়োজন সচেতন হওয়া এবং

শিক্ষকদের পাঠদানেও যেন কোনোরকমের ঘাটতি না থাকে। আমরা চাই না পড়ালেখায় কোনো ক্ষতির সম্মুখীন হোক কোনো শিক্ষার্থী।

তাই শিক্ষার্থীদের বিগত পাঠদানের ঘাটতি পোষাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দুই দিনের পরিবর্তে একদিন ছুটি থাকাই উচিৎ বলে মনেকরিছ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.