সংকট থেকে উত্তোরণের পথ খুঁজতে হবে

কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম জুয়েল এলপি গ্যাসের দাম বাড়ানোর এ প্রবণতা মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। এমনিতেই রোজায় সব জিনিসের দাম বেড়ে যায়। বাজারের দুর্মূল্য এবং রোজার প্রভাব মিলে সাধারণ মানুষ টানাপড়েনের মধ্যে আছে। তার ওপর গ্যাসের দাম বাড়ানো বোঝার ওপর শাকের আঁটির চেয়েও বেশি কিছু। এ বাড়তি চাপের সাথে যোগ হয়েছে চুলায় গ্যাসের সরবরাহ না থাকা। টাকা খরচ করে বাইরে থেকে ইফতার কিনে আনতে বাধ্য হওয়ায় মানুষের বিরক্তি চরমে পৌঁছানোর উপক্রম হয়েছে।
গণমাধ্যমের খবরে জানা যাচ্ছে, চলতি রমজান মাসে গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি নিয়ে দেশবাসীকে ভালোভাবেই ভুগতে হবে। একটি সহযোগী দৈনিকের খবরে বলা হয়েছে, ইফতার, তারাবিহ এবং সাহরির সময় নগরবাসী একসাথে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎসুবিধা পাবে না। আবার ইফতার, তারাবিহ ও সাহরির সময় ঢাকায় সরবরাহ ঠিক রাখতে গ্রামে লোডশেডিং করতে হবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। একই অবস্থা পানি ও গ্যাস-সুবিধা নিয়ে। রোজায় গ্যাস সঙ্কট থাকবে শিল্প-কলকারখানায়ও। এ দিকে রোজার শুরুতেই রাজধানীর অনেক এলাকায় তীব্র পানি সঙ্কট দেখা দিয়েছে।
বিতরণ কোম্পানিগুলো সূত্রে খবরে বলা হয়, রোজার মাঝামাঝি থেকে গ্যাস সঙ্কট আরো তীব্র হবে। পানির ঘাটতি হবে কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০ কোটি লিটার। ফলে নগরবাসীকে দুর্ভোগ মাথায় নিয়েই পার করতে হবে রমজান মাস। জানা যায়, শহরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পল্লী বিদ্যুতের চাহিদা অর্ধেকের বেশি কমিয়ে দেয়া হয়েছে। এতে রোজার মাসে গ্রামবাসীকেও বিদ্যুতের কষ্টে ভুগতে হবে।
জনগণের স্বচ্ছন্দ জীবনযাপন নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব; কিন্তু সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তা পেরে উঠছে বলে মনে হয় না। তাই মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এই সংকট থেকে উত্তোরণের পথ খোঁজতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.