সেদিনের ভাষণ ছিল মুক্তিকামী মানুষের পাথেয়: মোঃ নাছির উদ্দীন আহমেদ

আশিক বিন রহিম সারা দেশের ন্যায় চাঁদপুরেও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয়ভাবে উদযাপিত হয়েছে। এই উপলক্ষে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে দলীয় কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে সোমবার সকালে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করা হয়। কিকেলে দলীয় কার্যালয়ে ‘সাম্প্রদায়িক অপশক্তির ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোলো’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি বলেন, সেদিনের ভাষণ ছিল মুক্তিকামী মানুষের পাথেয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ দেশ এগিয়ে চলছে। তিনি দূর্নীতি ও মাদককে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছন। তাই আমাদের উচিত দূর্নীতি বাজদের সঙ্গ ত্যাগ করে সকল দ্বিধাদ্বন্দ ভুলে আুসন একত্রিত হয়ে দলের জন্য কাজ করি। সংগঠনকে শক্তিশালী একটি রাজনৈতিক সংগঠনে পরিণত করি এবং প্রতিহিংসা পরিহার করে দলকে শক্তিশালী করি। আগামী নির্বাচনে যেনো চাঁদপুরের ৫টি আসনে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীক কে জয়ী করতে এখন থেকে সকলে সকলের অবস্থান থেকে কাজ করি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চে যে ভাষন দিয়েছিলেন আজ তা বিশ্ব ঐতিহ্যে স্থান পেয়েছে। সারবিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের জন্য ছিল সেদিনের সে ভাষণ। আমদের এ স্বাধীনতা অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জন করতে হয়েছে। সকলের অবস্থান থেকে সততা নিষ্ঠা ও আন্তরিকাতার সহিত দলের জন্য কাজ করতে হবে। নেত্রী দূর্নীতী ও মাদককে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছন। তাই আমাদের দূর্নিতীবাজদের সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে। যাদের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ আছে আসাুন সকলে একত্রিত হয়ে দলের জন্য কাজ করি। সংগঠনকে শক্তিশালী করতে প্রতিহিংসা পরিহার করে দলকে শক্তিশালী করি। আগামী নির্বাচনে যেন চাঁদপুরের ৫টি আসনে আওয়ামীলীগ জয়ী হতে পারে সে লক্ষে সকলে সকলের অবস্থান থেকে কাজ করুন।
জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলাম মিয়াজীর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল। তিনি তার বক্তব্যে বলেন , ৭ মার্চের ভাষনে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার সকল দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন। দল করি দলের চেইন অব কমান্ড মেনে চলতে হবে। আমাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকবে কিন্তু প্রতিহিংসা যেন না থাকে। তিনি আরও বলেন, আজ সকালে জেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদানের সময়ে জেলা আওয়ামীলীগের এক নেতার আচরন সকল নেতাকর্মীকে ব্যাথিত করেছে।শ্রদ্ধাঞ্জীকালে নেতার হাতে ফুল ব্যাতিত অন্য কিছু থাকার কথা নয় কিন্তু আমরা কি দেখলাম। সকলে দলের কার্যক্রমে আসবেন তা না হলে দল করে লাভ নাই। দলের চেইন অব কমান্ড ভাংগবে আর আমরা বসে বসে আঙ্গুল চুইবো সে রাজনীতি জেলা বাওয়ামীলীগ করে ন। কোন দূবৃত্তের করানে দলের ক্ষতি হবে তা হতে তেওয়ারহবে না। দূনির্তিমক্তি সমাজ গড়তে আমাদের একত্রিত হবে।
অনান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রব ভূইয়া, সন্তোষ কুমার দাস, আব্দুর রশিদ সর্দার, যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহল আমিন সরকার, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিনয় ভূষণ মজুমদার, সদস্য অ্যাডভোকেট বদিউজ্জামান কিরন, সদস্য ও বাগাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন গাজী বিল্লাল, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক শ্রম বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সাবেক সদস্য অ্যাড. জসিম উদ্দিন পাটওয়ারী, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাব্বির হোসেন মন্টু দেওয়ান, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর ভুঁইয়া, জেলা যুবলীগের আহবায়ক মিজানুর রহমান কালু ভূঁইয়া, মৎসজীবি আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক দেওয়ান, শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহবুবুর রহমান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পারভেজ করিম বাবু। আলাচনাসভা শেষে বঙ্গবন্ধুর রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.