সড়কের এই ভয়াবহতার শেষ কোথায় ?

সড়কের এই ভয়াবহতার শেষ কোথায় ?

কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম জুয়েল

সড়ক দুর্ঘটনার নতুন রেকর্ড গড়লো চট্টগ্রামের মিরেরসরাই এর ১১ জন নিহত হওয়ায় মাধ্যমে। এভাবে ১১টি টগবগে তাজা প্রাণ ঝড়ে যাবে তা অত্যন্ত ব্যদনার। এর জন্য পরস্পর পরস্পরকে দায়ী করলেও মূলত: দায়ী রেলওয়ের অব্যবস্থাপনাই। কারণ রেলের গেইটম্যানের উপর দায় চাপিয়ে প্রকৃত মাতাব্বররা পাড় পাওয়ার চেষ্টা করছে বলেই মনে হচ্ছে।

এদিকে চাঁদপুরে ঘটেগেলো একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনা। ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেলো ৩ রিকশা যাত্রীর। যা অত্যন্ত দুঃজনক। চাঁদপুরের বিভিন্ন প্রান্তেই এমন ঘটনা ঘটছে প্রতিনিয়ত। কিন্তু এ ব্যাপারে সামান্য আপসোস করা ছাড়া কারো কিছু করার নেই যেন।
আমাদের দেশে সড়ক দুর্ঘনা এখন নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। এই মহামারিকে রোধে যেভাবে উদ্যোগ নেওয়া দরকার সেইভাবে হয়তো উদ্যোগ গ্রহণ

করতে পারছে না বলেই আজ সড়ক দুর্ঘটনা ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। সড়কে এখন নিরাপত্তা নেই বললেই চলে। সব ধরনের সড়কেই দুর্ঘটনা ঘটে

 

কিন্তু হাইওয়ে সড়কে ঘটে সবচেয়ে বেশী দুর্ঘটনা। সড়কে দুর্ঘটনার ভয়ে এখন মানুষ চলচল করছে ভয়ে ভয়ে। তার পরেওতো সড়ক দুর্ঘটনা থেকে

রেহাই পাচ্ছে না কেউ। বড়ো ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটলে মিডিয়ার শীরোনাম হয় না। যেসব দুর্ঘটনা মিডিয়ায় প্রচার হয় তার চেয়ে অধিক দুর্ঘটনার খবর

 

মিডিয়ায় প্রচার পায় না। যার কারণে দুর্ঘটনার প্রকৃত ভয়াবহ চিত্র অগোচরেই থেকে যায়।

আমরা মনেকরি এই দুর্ঘটনার কবল থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করা দরকার। পৃথিবীর সব দেশের দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে। কিন্তু এতো অধিক পরিমান

দুর্ঘটনা কেবল আমাদের দেশেই হচ্ছে বলে মনেকরছেন বিশেষজ্ঞরা। সড়কের এমন ভয়াবহতা থেকে রক্ষার জন্য সরকারকেই উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। উন্নত বিশে^ কিভাবে সড়ক নিয়ন্ত্রণ হয় সেভাবে আমাদের দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে অবশ্যই দুর্ঘটনা কমে আসবে বলে মনেকরছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.