চাঁদপুর-হাইমচর সড়ক জোড়াতালিতে দুর্ভোগ

জেলার দক্ষিণাঞ্চলের জনসাধারনের চলাচলের গুরুত্বপুর্ণ মাধ্যম হচ্ছে চাঁদপুর-হাইমচর সড়ক । এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে হাজার হাজার হালকা ও ভারী যানবাহন। বিশেষ করে চাঁদপুর-শরীয়তপুর ফেরীঘাট দিয়ে চলাচল করা ভারী মালবাহী অসংখ্য ট্রাক চলাচল করে এই সড়কের হরিনা চৌরাস্তা হতে দোকানঘর অংশের উপর দিয়ে।

প্রায় প্রতি মাসেই সংস্কার হচ্ছে চাঁদপুর-হাইমচর সড়কের দোকানঘর থেকে হরিনা চৌরাস্তা অংশের। অথচ নামমাত্র সংস্কারের ৮/১০ দিনের মাথায়ই আবার সৃষ্টি হচ্ছে বিশাল গর্ত, উঠে যাচ্ছে পিচ, পাথর। তার উপর আবার পুরো রাস্তা জুড়ে বড় বড় ঢেউ। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা, ভোগান্তি হচ্ছে শিশু বৃদ্ধ ও গর্ভবতী মায়েদের।

সরেজমিনে দেখা যায় রাস্তার মোড়ে মোড়ে বসানো কিলোমিটার স্ট্যান্ডগুলোও এখন উধাও হয়ে গেছে। এতে অন্য এলাকা থেকে আগত ড্রাইভার ও যাত্রীদের সমস্যা হচ্ছে। সড়কের লক্ষ্মীপুর বাজারের উত্তর পার্শ্বে কাঠের পুলের সামনে, শাহজান কবিরাজের বাড়ীর সুলতান খাঁর বাড়ীর সামনের ব্রীজের উত্তর পার্শ্বে , লক্ষ্মীপুর বাজারের দক্ষিণে জামাল খার বাড়ীর সামনে অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় অসংখ্য ছোট ছোট গর্ত রয়েছে। যা ছোট যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। সবচেয়ে করুন অবস্থা লক্ষ্মীপুর বাজার অংশে। বাজারের উত্তর, দক্ষিণ, ও মধ্যখানে অনেকগুলো বড় বড় গর্ত রয়েছে, যার কারনে প্রায়শই ঘটছে দুর্ঘটনা। গর্তে পড়ে আটকে যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের মালামালবাহী ছোট ট্রলি ও অটোরিকশা।

উল্লেখ্য এই রাস্তাটি নির্মাণ হয়েছিলো হালকা যানবাহন চলাচলের উপযোগী হিসেবে। কিন্তু বর্তমানে হরিনা থেকে চান্দ্রা চৌরাস্তা, ভাটিয়ালপুর পর্যন্ত বিশ্বরোডটি প্রায়ই খারাপ থাকে। আর তখনই মালবাহী ট্রাকগুলো বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহার করে এই হরিনা-দোকানঘর অংশের ভারী যান চলাচলের অনুপযোগী অংশের উপর দিয়ে। এই রাস্তাটি ভারী মালবাহী যানের চাপ নিতে অসমর্থ হওয়ায় জায়গায় জায়গায় অসংখ্য গর্ত এবং উচু নিচু ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়েছে।

এখন সময় এসেছে এই গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম রাস্তাটির পিচ উঠিয়ে পুনঃনির্মাণ করার। সংস্কারের নামে আর তামাশা দেখতে চায়না সংশ্লিষ্ট এলাকার জনসাধারণ। যেহেতু প্রতিনিয়ত এই সড়কে ভারী যানবাহন চলাচল করছে, সেহেতু সড়কটিকে বিশ্বরোড মানের উপযোগী করে পুনঃনির্মান করার জোর দাবী জানিয়েছেন গাড়ীর চালকগন এবং ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

স্টাফ রিপোর্টার

Leave a Reply

Your email address will not be published.