স্বামী হত্যার বিচার চাইলেন স্ত্রী শেলুন কর্মচারী রাজু এখনো অধরা

চাঁদপুর শহরের বিপনীবাগ বাজারে দধি ব্যবসায়ী নারায়ণ ঘোষ হত্যায় জড়িত শেলুন কর্মচারী রাজুকে পুলিশ এখনো আটক করতে পারেনি। হত্যাকান্ডের পর ৪দিন অতিবাহিত হলে পুলিশ রাজুকে আটক করতে না পারায় সচেতন মহলে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

এদিকে স্বামী হত্যার বিচার চাইলেন ৩ সন্তানের জননী উষা রানী ঘোষ। গতকাল ১৮ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে নারায়ণ ঘোষের ঘোষপাড়াস্থ বাসভবনে গিয়ে দেখা যায় নিহত নারায়ণ ঘোষের স্ত্রী ৩ সন্তানকে নিয়ে বসে আছেন। ২ ছেলে ও ১ মেয়ে বাবাকে হারিয়ে অসহায়। পিতা ছিলো তাদের জন্য বটগাছ এবং সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তাদের পিতাকে নির্মমভাবে হত্যা করায় এখন তাদের বেঁচে থাকার স্বপ্নগুলো যেনো অসম্ভব হয়ে গেলো। এভাবে বর্ণনা দেয় নিহতের সন্তানরা।

নারায়ণ ঘোষের ৩ সন্তানের দাবী একটাই, তারা জানতে চায় তাদের পিতার কী অপরাধ ছিলো? যদি বাবা এমন কোনো অপরাধ করে থাকেন তাহলে কি দেশের প্রচলিত আইনে বিচার করা যেতো, একজন মানুষ অপরাধী হলে কি তাকে এভাবে নির্মম হত্যার শিকার হতে হবে? আমরা কিছু বলতে চাই না, আমরা শুধু বলবো এই হত্যার মুল রহস্য কী? হত্যাকারী ঘাতকের সঠিক বিচার চাই।

অপরদিকে একইভাবে আহাজারির মধ্য দিয়েই স্বামীর হত্যার বিচার চাইলেন নারায়ণ ঘোষের স্ত্রী উষা রানী ঘোষ। তিনি আহাজারি করতে করতে বলেন, ‘আমার ৩ সন্তানকে যে বা যারা অসহায় করে দিল, সৃষ্টিকর্তা যেনো তাদের বিচার করে। আমার শাখা সিঁদুর যে কাইড়া নিলো, তার বিচার ভগবান যেনো করে। আমি যেনো সঠিক বিচার পাই।’

উল্লেখ্য গত ১৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার শহরের বিপনীবাগ বাজারের পৌর মাকের্টের পাশে পাবলিক টয়লেটের পরিত্যক্ত স্থান থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় ঘোষপাড়ার দধি ব্যবসায়ী নারায়ণ ঘোষের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। একইদিনে নারায়ণ ঘোষের ছোট ছেলে রাজীব ঘোষ রাজু বাদী হয়ে টিপটপ সেলুন কর্মচারী রাজু শীলের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত নামা আরও কয়েকজনকে আসামী করে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

স্টাফ রিপোর্টার

Leave a Reply

Your email address will not be published.