ফরিদগঞ্জে হলুদের সমারোহে স্বপ্ন বুনছেন কৃষক

ফরিদগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলে খেতে হলুদ গাছ পরিচর্যা করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক। মার্চ-এপ্রিল মাসে জমি চাষ করে হলুদ রোপন করা হয়। তোলা হয় ডিসেম্বরের শেষ দিকে। প্রতি একর জমিতে আশি থেকে এক শত মণ কাঁচা হলুদ উৎপাদন হয়।

বিয়ে বাড়িতে হলুদ (গায়ে হলুদ)রান্নাঘরে হলুদ। হলুদ মিশে আছে বাঙালির খাদ্যাভ্যাসে ও সাজগোজের সংস্কৃতিতে । অর্থনৈতিক দিক থেকে হলুদ চাষ লাভজনক। এ কারণে অনেক চাষি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে হলুদ চাষ করে সফল হচ্ছেন।

চলতি মৌসুমে ফরিদগঞ্জে হলুদের দারুন ফলন হওয়ার আশঙ্কা করছেন উপজেলার কৃষক। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে হলুদের ফলন ভালো হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

ফরিদগঞ্জের বালিথুবা পুর্ব ইউনিয়নের শহীদ সৈয়দ নগরের কৃষক সুলতান আহমেদ জানান, হলুদ বহুল ব্যবহৃত একটি মসলা। প্রায় সব ধরনের মাটিতে হলুদ চাষ করা যায়।

চলতি বছরের মার্চে উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে আমাকে ২৭ কেজি হলুদ দেওয়া হয়েছে। আমি পনের শতাংশ জমিতে হলুদ লাগিয়েছি এখন পর্যন্ত জমিতে হলুদ গাছ পরিপূর্ণ আছে। প্রাকৃতিক কোন সমস্যা না হলে ফলন ভাল হবে বলে আশাবাদী।

কৃষক নুরুল ইসলাম বলেন, ‘হলুদ হলো লাভজনক ফসল। হলুদ চাষে কোনো ঝুঁকি নেই। খরচও কম লাগে। খেতে কোনো পোকা আক্রমণ করে না। পরিচর্যাও তেমন করা লাগে না।’

উপজেলার দেইচর গ্রামের কৃষক কালু মিয়া বলেন, ‘আগেতো খালি ধানের আবাদ করতাম। কিন্তু গত বছর থেকে উঁচু জমিগুলোতে হলুদ আবাদ করে ভালো লাভ করছি।’

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি

Leave a Reply

Your email address will not be published.