হাইমচরে কঠোরতার মধ্যেও চলছে জাটকা নিধন

এস আর শাহ আলম নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চাঁদপুর জেলার হাইমচর মেঘনা নদিতে দিনের বেলায় জেলেরা জাল ফেলে জাটকা নিধন করছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। আথচ হাইমচর প্রশাসনের ঢিলেঢালা ভূমিকার কারণে অভিযান সফল হচ্ছে না বলে মনে করেন সচেতন মহল।
বুধবার সকাল নয়টার সময়, ১ নং গাজীপুর ইউনিয়ন হয়ে তেলিরমোর থেকে ট্রলার যোগে মনিপুর চরে যাওয়ার সময়, লক্ষ করা যায় ওই স্থানের টেকের চর বরাবর মাঝ নদিতে ১০-১২ টি জেলে নৌকা নিয়ে জেলেরা জাল ফেলে ইলিশ নিধন করছে । জেলেদের মাঝে অভিযানের কোন বালাই নেই। পূর্বের মত অসাধু জেলেদেরকে মাছ নিধনে ব্যস্ত দেখা যায়।
সরেজমিনে টেকের চর পার হয়ে রশিদের মাছের আরৎ গেলে দেখা যায় মেঘনার পারে আরো কয়েকটি জেলে নৌকা নিয়ে জেলেরা মাঝ নদিতে ছুটছে। আবার কেউ নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জাল ছারিয়ে নিচ্ছে, এর পরে চেয়ারম্যান ঘাট গেলে লক্ষ করা যায় , সাড়ি সাড়ি জেলে নৌকা জেলেরা জাল প্রস্তুত করছে মেঘনায় নামার জন্য , সেখানকার কয়েকজনের সাথে আলাপ করলে তারা জানান ১ নং গাজীপুর ইউনিয়ন ও ৪ নং নীলকমল ইউনিয়নের কিছু অসাধু জেলেরা এই দুই মাসের অভিযানে দালালদের কাছ থেকে দাদন নিয়ে ইলিশ নিধন করছে। আবার অনেকেই চরভৈরবি থেকে এসে এই এলাকায় ইলিশ নিধন করে।
সুএে আরো জানা যায়, নীলকমল পুলিশ ফাড়ির কিছু অসাধু পুলিশের সহযোগিতায় নীলকমমল ইউনিয়নের জেলেরা ইলিশ নিধন করে। এমনও জানা যায়, নীলকমলের জেলেরা বিভিন্ন এলাকায় নিধন কৃত ইলিশ গুলি দিবালোকে বিক্রি করছে, ফাঁড়ির পুলিশ কে মাসোহারা দিয়ে। অপর দিকে অভিযানকে সফল করতে হাইমচর থানা পুলিশ ও মথস কর্মকর্তা উপজেলার চেয়ারম্যানদের নিয়ে ঝাটকা সংরক্ষণ আলোচনা ও সভা করছে, অথচ কে মানছে কার কথা, কারন সড়িষার মাঝে ভূত থাকলে তারাবে কে এমন মতামত অনেকের, যার কারনে স্হানীয় দালালদের সহযোগিতায় এলাকার সহ এলাকার বাহিরের জেলেরা অভিযানের সময় ইলিশ নিধন করতে দেখা যায়,
মূলত বিষয় হচ্ছে চলতি অভিযানে হাইমচর উপজেলার প্রশাসন বিভাগ গুলির মেঘনায় তেমন অভিযান করছে না ফলে জেলেরা সরকারি রেশম খেয়ে সরকারের নিষেধ অমান্য করে হর হামেশাই ইলিশ নিধনে মুগ্ধ হয়ে আছে, একদিকে সরকারি সহয়োগীতা ভোগ করছে অপর দিকে দিনে দুপুরে হাইমচর এলাকার মেঘনা নদিতে মাছ শিকার করছে।
এ বিষয়ে ১ নং গাজীপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ হাবিবুর রহমান গাজী বলেন আমার কথা অমান্য করে যদি আমার জেলেরা নদিতে মাছ শিকার করে থাকে তাহলে তাদের আইনের আওতায় আনা হউক, তবে আমার জানা মতে আমার জেলেরা অভিযানের সময় মাছ শিকার করে না, অপর দিকে নীলকমল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সৈয়দ আল নাছের বলেন, আমরা সরকারি সকল সহযোগিতা দিচ্ছে, জেলেরা দুই মাস নদিতে নামবে না, তার পরেও যদি তারা নামে তাহলে প্রশাসন ভূমিকা নিবে, তবে আমি যতটুকু জানি এলাকার বাহির থেকে আসা কিছু জেলেরা মেঘনা নদিতে নামে, সেটা আমার এরিয়া না, যদি আমার কোন জেলে নদিতে নামতে দেখি তাহলে আমি আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করবো।
আসলে আমাদের সরজমিন প্রমানে আমরা মেঘনায় জেলে ও জেলে নৌকা পেলেও, নদিতে নির্বাহী কর্মকর্তা , মৎস কর্মকর্তা , পুলিশ , কিনবা কোষ্ঠগার্ড কে দেখতে পাইনা, আর তাই জেলা প্রশাসক এই বিষয়ে দৃষ্টি দিতে সচেতন মহলের দাবি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.