১৫ মার্চ থেকে স্বাভাবিক রুটিনে ক্লাস: শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা অফিস: আগামী ১৫ মার্চ থেকে সীমিত আকারে শ্রেণি পাঠদান আর থাকছে না। ওই দিন থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সব বিষয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আজ শনিবার রাজধানীর টিকাটুলিতে শেরে বাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয়ের ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে আমরা এতদিন ক্লাস শুরু করতে পারিনি। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। শিক্ষার্থীদেরও টিকার আওতায় আনা হয়েছে। এ অবস্থায় আগামী ১৫ মার্চ থেকে স্বাভাবিক নিয়মে ক্লাস শুরু করা হবে।
তিনি বলেন, শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে এ সংক্রান্ত নোটিশ দেয়া হবে। একই সঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের করণীয় সম্পর্কে বলে দেয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, নতুন কারিকুলাম চালু হলে পরীক্ষার সংখ্যা কমবে। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ভীতি দূর হবে। পরীক্ষানির্ভর মূল্যায়ন থেকে বের হয়ে আসা যাবে। প্রতিদিনের লেখাপড়া মূল্যায়ন প্রতিদিনই হবে। বছর শেষে সীমিত আকারে পরীক্ষা হবে, তবে সারা বছরের মূল্যায়ন সমন্বয় করে চূড়ান্ত মূল্যায়ন করা হবে।

দীপু মনি বলেন, মাধ্যমিকে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস অনুযায়ী পাঠদান হবে এবং এ সিলেবাসের আলোকে বার্ষিক মূল্যায়ন পরীক্ষা হবে। আমরা চাই না শিক্ষার্থীরা কোনো চাপে থাকুক। তাদের পাঠ মনোযোগের সাথে এবং আনন্দদায়ক করে তোলার জন্য আমরা কাজ করছি। নতুন কারিকুলামের আলোকে পড়তে পারলে শিক্ষার্থীদের কোচিংয়ে যাওয়া লাগবে না বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

মহামারীর কারণে প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর গত বছর ১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরাসরি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ‘সীমিত আকারে’ শুরু করা হলেও ওমিক্রনের প্রভাবে ফের বন্ধ হয় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান, যা দুই দফায় বেড়ে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়।

সবশেষ ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সীমিত আকারে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হয়। আর ২ মার্চ থেকে সীমিত আকারে প্রাথমিক স্তরের শ্রেণি পাঠদান শুরু হয়। ১৫ মার্চ থেকে প্রাক-প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদেরও সরাসরি শ্রেণি পাঠদান শুরু হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.